How to earn from online – ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং কি? কিভাবে, কোথায় করে?

How to earn from online - ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং কি কিভাবে, কোথায় করে

How to earn from online – ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং কি? কিভাবে, কোথায় করে?

আপনি কি ঘরে বসে অনলাইন থেকে আয় করতে চান?
তাহলে নিচের পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন…..

বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং অথবা আউটসোর্সিং এই কথাটি আর কারো কাছেই অজানা নেই । তবে যারা জানেন না তাদের জন্য সামান্য কিছু বলে নেই ।

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে এমন একটি পেশা যার মাধ্যমে আপনি অন্য কোন প্রতিষ্ঠান অফিসে চাকরি না করেও ঘরে বসে আয় করতে পারবেন । ফ্রিল্যান্সিং মানে হচ্ছে মুক্ত স্বাধীন পেশাজীবী । যার অর্থ আপনি প্রতিষ্ঠান বা অফিসের অধীনে চাকরি না করে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ভিত্তিতে কাজ করে আয় করা । এক্ষেত্রে আপনি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন । আপনার উপর বস অথবা অফিসের কোনো বাড়তি চাপ থাকবে না । আপনি চাইলে যে কোন মুহূর্তে আপনার চুক্তি বাতিল করতে পারবেন অথবা নতুন চুক্তি করতে পারবেন । যে কারো সঙ্গে কাজ করতে পারবেন যেকোনো দেশের সঙ্গে কাজ করতে পাবেন আপনার নিজ দেশে থেকে ।

ছোট্ট একটি উদাহরণ দেই ধরুন আপনি ভালো লোগো ডিজাইন করতে পারেন । আপনি যদি কোন প্রতিষ্ঠান অধীনে কাজ করেন তবে আপনাকে সকাল আটটা থেকে বিকেল ছয়টা পর্যন্ত ডিউটি করতে হবে । এটি হচ্ছে চাকরির নিয়ম । কাজ থাকলেও আপনাকে অফিসে যেতে হবে কাজ না থাকলে আপনাকে অফিসে যেতে হবে । এখন প্রতিষ্ঠান আপনার দ্বারা ডিজাইন করে সেই লোগো বিভিন্ন ক্লায়েন্টের কাছে বিভিন্ন দামে বিক্রয় করতে পারে । তাতে 1 লক্ষ 2 লক্ষ যাই করুক না কেন আয় করুক না কেন আপনাকে কিন্তু শুধুমাত্র বেতন দিবে যে বেতন টি আপনি চাকরিতে যোগদানের সময় ঠিক করেছিলেন ।

অপরদিকে ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে আপনি যদি ভালো লোগো ডিজাইন করেন । সে ক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন ক্লায়েন্টের কাছে আপনার সার্ভিসটি দিতে পারবেন । এজন্য আপনাকে অফিসে যেতে হবে না আপনি চাইলে দিনে এক ঘন্টাও কাজ করে দিতে পারেন 2 ঘন্টা কাজ করে দিতে পারেন । এর জন্য সুনির্দিষ্ট সময়ের দরকার নেই । আপনি চাইলে 5 টাকাতেও লোগো ডিজাইন করে দিতে পারেন অথবা আপনি চাইলেও কোন ক্লায়েন্টকে 5 লক্ষ টাকা তে কাজটি করে দিতে পারেন । আপনি চাইলে একমাস ঘুমিয়ে থাকতে পারেন অথবা চাইলে আপনি পুরো মাস কাজ করতে পারেন এই হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং ।

আউটসোর্সিং হচ্ছে যখন কোন প্রতিষ্ঠান তার অতিরিক্ত কাজ বাহিরের কোন উৎস হতে স্বল্প সময়ের জন্য চুক্তিভিত্তিক করিয়ে নেয় তখন তাকে আউটসোর্সিং বলে । মূলত যারা কাজগুলো করেন তাদের ফ্রিল্যান্সার বলে আর যেসব প্রতিষ্ঠান করিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়াকে আউটসোর্সিং বলে ।

বর্তমানে উন্নত গুলো আউট সোর্সিং এর দিকে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে। কারণ এমন কিছু কাজ আছে সেই পরিমাণ কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট লোককে চাকরিতে নিয়োগ দেয়া সম্ভব হয় না । আবার সেই পরিমাণ কাজ তিনি নিজেও করতে পারেন না । এর জন্য একজন লোকের দরকার ঠিকই কিন্তু দীর্ঘ সময়ের জন্য নয় । এই ক্ষেত্রে তিনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সারকে হায়ার করেন। সে ক্ষেত্রে তিনি কম সময়ের জন্য স্বল্প খরচে কাজটি সম্পন্ন করতে পারেন । অথবা দেখা যায় উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেখানে কাজ আছে কিন্তু কাজের লোক কম। এই জন্য স্থানীয় ভাবে কাজটি করাতে গেলে তাকে অনেক বেশি খরচ করতে হয় । কিন্তু সেই কাজটা যদি তিনি আউটসোর্সিং করে বিভিন্ন দেশের লোকদের দ্বারা কাজটি করিয়ে নেন সে ক্ষেত্রে তার স্থানীয় মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে কাজটি তিনি করিয়ে নিতে পারেন । এক্ষেত্রে তিনি আরো অনেক প্রকার সুবিধা পেয়ে থাকেন যেমন, তিনি একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে ইন্টারভিউ নিতে পারেন তার মাধ্যমে তিনি তার সর্বাধিক সুবিধা টি বেছে নিতে পারেন ।

ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং মূলত কোন কোন কাজগুলো নিয়ে হয়ে থাকে ?
অনলাইনে যে কাজগুলো একজনের কাছ থেকে আরেকজনের কাছে পেরন করা যায়। অথবা ডিজিটাল ফাইলের মাধ্যমে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় স্থানান্তর করা যায় মূলত সেই সমস্ত কাজগুলোই অনলাইনে করা হয়ে থাকে ।
এক্ষেত্রে আপনি
গ্রাফিক্স ডিজাইন,
ওয়েব ডিজাইন,
অনলাইন মার্কেটিং ,
ডাটা এন্ট্রি,
ডাটা টাইপিং,
ডাটা ম্যানেজমেন্ট,
ওয়েবসাইট,
ম্যানেজমেন্ট,
সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট,
আইন বিষয়ক পরামর্শ,
চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ,
ব্যবসায়িক পরামর্শ,
এছাড়াও অসংখ্য কাজ করতে পারবেন।


এখন কথা হচ্ছে আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার হন তবে কোথায় আপনি কাজ খুঁজে পাবেন এবং কাদের সঙ্গে কাজ করবেন ?

আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য একজন ভাল মধ্যস্থতাকারী অথবা তৃতীয় কোনো মাধ্যম প্রয়োজন হয় । এই তৃতীয় মাধ্যম ফ্রিল্যান্সার ও বায়ারদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে দেন । এর ফলে ফ্রিল্যান্সার এবং ক্লায়েন্ট উভয়ের মধ্যে দেনাপাওনা ও কাজের বিষয়ে চুক্তি করেন । আর সমগ্র বিষয়টি তত্ত্বাবধান করেন তৃতীয় পক্ষ । যদি চুক্তি ভঙ্গ করে সে ক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তৃতীয়পক্ষ । মোটকথা কাজের বিনিময় ও লেনাদেনার বিনিময় তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে হয়ে থাকে । সুতরাং এখানে ফ্রিল্যান্সার বা ক্লায়েন্ট কেউই ক্ষতিগ্রস্ত হন না । তৃতীয় পক্ষ এই ব্যবস্থাপনা ও তদারকির জন্য উভয় পক্ষের কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করেন ।

নিচে এরকম কিছু মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের নাম ও ওয়েবসাইট দিয়ে দিলাম দেখে নিবেন –
Upwork
http://www. upwork .com
PeoplePerHour
http://www. PeoplePerHour .com
Fiverr
http://www. Fiverr .com
Freelancer.com
http://www. Freelancer.com
LinkedIn
http://www. LinkedIn .com
Guru
http://www. Guru.com
iWriter
http://www. iWriter .com
99Designs
http://www. 99Designs .com
TopTal
http://www. TopTal .com
DesignHill
http://www. upwork .com
HubStaff
http://www. HubStaff .com

লিস্টে দেয়া সাইটগুলোতে গিয়ে আপনাকে প্রথমে একাউন্ট ক্রিয়েট করতে হবে । এরপর আপনার প্রোফাইলকে প্রফেশনাল ভাবে সাজাতে হবে । আপনি কি কাজ জানেন সে সম্পর্কে বলতে হবে। কি কি বিষয় আপনি অভিজ্ঞ সেসব বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে হবে । আপনি কি কি সার্ভিস গুলো দিতে আগ্রহী সেই বিষয়গুলো প্রকাশ করতে হবে । আপনি কি সার্ভিস এর জন্য কত পরিমাণ অর্থ চাইবেন সেটা স্পষ্ট ধারণা দিতে হবে । এরপর আপনাকে ওই সাইটগুলোতে বিভিন্ন কাজের জন্য এপ্লাই করতে হবে । ক্লায়েন্ট যদি আপনার প্রোফাইল এবং আপনার অফার পছন্দ করে তবেই আপনাকে কাজটি দিবে । কাজটি শেষ হয়ে গেলে আপনাকে লাইন পেমেন্ট করবে আর সেই পেমেন্ট আপনার ওই সাইট এ জমা হয়ে থাকবে । আপনি যে কোন মুহূর্তে ওই পেমেন্ট গুলো আপনার ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে উইথড্র করতে পারবেন ।

আশা করি এই পোস্ট থেকে ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা পেয়ে গেছেন । পোস্টটি ভাল লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন । আরও অতিরিক্ত কোন কিছু জানতে চাইলে সেটিও কমেন্ট করে জানাতে পারেন । সবাইকে আবারও অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি । সবাই সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন ।

Hello, I'm Kanay Lal. I'm a professional Freelancer as a Graphics Designer, Web Designer and Online Marketer since 2011.

Share

Leave a Comment

Chat with Kanay Lal
%d bloggers like this: